চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের একটি মসজিদে তালা দেয়ার ঘটনায় ক্ষুদ্ধ এলাকাবাসী এবার দায়ি ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ দাবিতে মানববন্ধন করেছে। রোববার বিকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঠাকুরদিঘী এলাকায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে শতাধিক মুসল্লি উপস্থিত ছিলেন।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া মসজিদের ইমাম মো. হাসান বলেন, গত ৯ সেপ্টেম্বর সকাল ১১ টায় স্থানীয় আবু জাফর, ছেলে নাছির উদ্দিন, মেয়ে আসমা ও তাঁর স্ত্রী এসে আমাকে বলে আজ থেকে মসজিদে আজান চলবেনা। আজান দিলে আপনার খবর আছে। খবরদার আজান দিলে আপনার বিরুদ্ধে মামলা করা হবে বলে মসজিদে তালা লাগিয়ে দেয়। এরপর যোহরের নামাজের সময় মুসল্লীরা নামাজ পড়তে আসলে তাদের উপর জাফর এর পরিবারের সদস্যরা হামলা করে। তখন যোহরের আজান ও নামাজ হয়নি। এরপর তালাবদ্ধ থাকায় আছরের আজান এবং নামাজও হয়নি। এরপর বিষয়টি জোরাগঞ্জ থানায় অবহিত করলে তাঁরা এসে তালা ভেঙ্গে দিলে মাগরিবের আজান ও নামাজ আদায় করা হয়।

স্থানীয় মুসল্লী ফরিদুন্নবী বলেন, নাজিমের পরিবার মসজিদে তালা দিয়ে উল্টো মুসল্লিও গ্রামবাসীর নামে থানায় ও আদালতে মামলা করেছে। তালা খুলতে যাওয়ায় কয়েকজনকে মেরে তারা ওইদিন রক্তাক্ত করেছিলো। আমরা মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দিয়েছে। এঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানাচ্ছি।
প্রসঙ্গত, গত ৯ সেপ্টেম্বর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের পূর্ব দুর্গাপুর গ্রামের শেখ আহম্মদ মৌলভী বাড়ি জামে মসজিদে তালা দিয়ে আজান ও নামাজ আদায়ে বাধা দেয় একটি পক্ষ। এরপর ক্ষুদ্ধ মুসল্লি ও এলাকার লোকজনের মধ্যস্ততায় বিষয়টি সুরাহা হলেও তালা দেয়া ব্যক্তিদের আইনের আওতায় না আনায় এলাকাবাসী রোববার মানবন্ধন করে।