নিজস্ব প্রতিনিধি
দীর্ঘ প্রবাস জীবনের ক্লান্তি মুছে দিতে স্বস্তির খোঁজে দেশে আসছিলেন শওকত আলী আসিফ। পরদেশে ব্যবসার পরিস্থিতি কিছুটা প্রতিকূল হওয়ায় বুকভরা আশা নিয়ে এসেছিলেন মাটির টানে। পরিস্থিতি না ফিরলে ঘুরে দাড়াতে বিকল্প কোনও কর্মসংস্থান খুঁজে নেবেন। কত শত রঙিন স্বপ্ন আর পরিবারের ভবিষ্যতের নীল নকশা এঁকেছিলেন বুকের গভীরে। কিন্তু নিয়তির নির্মম পরিহাস, সেই স্বপ্নের পথেই চিরস্থায়ী দেয়াল হয়ে দাঁড়ালো মৃত্যু। স্বপ্নগুলো ডানা মেলার আগেই নিভে গেল এক উজ্জ্বল প্রাণের প্রদীপ।
বুধবার (২৫ মার্চ) সকাল ১১টায় নিজ গ্রামের বাড়িতে জানাজা শেষে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন তিনি। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) রাত প্রায় ১০টার সময় চট্টগ্রাম পার্কভিও হাসপাতালে আইসিইউ’তে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন আসিফ (৩৫)। এর আগে অসুস্থবোধ করলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।

আসিফ মিরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ থানার ৫নং ওসমানপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের এরাদমিয়া চেয়ারম্যান বাড়ীর মোহাম্মদ আলমের জ্যেষ্ঠ সন্তান ছিলেন আসিফ। তিনি রেখে গেছেন এক কন্যাসন্তান (৫), প্রায় ৩ বছর বয়সী এক পুত্র এবং শোকাতুর স্ত্রীসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী।
সে মিরসরাই সমিতি সংযুক্ত আরব আমিরাতে(মোরশেদ-সোহাগ পরিষদ) সহ অর্থ সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন আসিফ।
যে বাবা কয়েকদিন পর আবারও লড়াকু সৈনিক হয়ে প্রবাসে যাওয়ার কথা ছিল, তার নিথর দেহ দেখে অবুঝ সন্তানদের কান্নায় আজ মিরসরাইয়ের বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে। তার এই আকস্মিক বিদায়ে পুরো এলাকায় নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।