শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর গত ৫ আগস্ট থেকে অধ্যবদি মিরসরাই পৌরসভা এলাকায় যে কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে অতদ্র প্রহরীরর ভূমিকায় রয়েছেন পৌর বিএনপির সদস্য সচিব, তরুণ রাজনীতিবিদ জাহিদ হুসাইন। দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে হামলা, মামলায় নিজে জর্জরিত থাকলেও মহুর্তের মধ্যে সব ভুলে গিয়ে সাধারণ মানুষের জানমালের কোন ধরনের ক্ষতি যেন না হয় সেজন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছেন। রাতের বেলায় দলীয় নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়ে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো পাহারা দিচ্ছেন। এ জন্য দল, মত, জাতি, বর্ণ নির্বিশেষ সকলের প্রশংসায় ভাসছেন তিনি।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বিক্ষুদ্ধ জনতা মিরসরাই থানায় বার বার হামলার চেষ্টা করে। থানায় কোন ধরনের হামলায় না হওয়ার জন্য জাহিদের ভূমিকা ছিল অন্যতম। থানার মূল ফটকের বাইরে হ্যান্ডমাইক নিয়ে দলীয় নেতা-কর্মীদের নিবৃত করেছেন। বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কোন ধরনের হামলা যেন না হয় এজন্য নেতা-কর্মীদের হুশিয়ারি দিয়েছেন। কেউ কেউ ক্ষোভ ও বঞ্চনা থেকে পৌরসভার বেশ কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তালা লাগিয়ে দিলে জাহিদ গিয়ে সে সব প্রতিষ্ঠানের তালা খুলে দিয়েছেন।
জাহিদ হুসাইন বলেন, গত ১৭ বছরে মিরসরাই পৌরসভায় আমি সহ নেতা-কর্মীরা মাসের পর মাস কারাগারে জীবন পার করেছে। মিথ্যা মামলা কাঁধে নিয়ে রাতের পর রাত ঘরের বাইরে কেটেছে। ক্ষোভ থাকার পরও সবাইকে ক্ষমা করে দিয়েছি। আমার প্রিয় নেতা নুরুল আমিন চেয়ারম্যান এর নির্দেশে আমি আমার দায়িত্ব পালন করছি। কেউ আমার নেতার নাম ভাঙিয়ে কিছু করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরো বলেন, কোন দলের লোকজন সাধারণ মানুষের ক্ষতি হোক আমি চাই না। নেতা-কর্মীদের নিয়ে রাতভর মন্দিরগুলো পাহারা দিচ্ছি। আমি চাই সবাই মিলে এই পৌরসভায় একসাথে মিলেমিশে বসবাস করতে পারি।