July 8, 2020

CHALAMAN

Mirsarai

অনুমতি পেলেও শুটিংয়ে আগ্রহ নেই অনেক নির্মাতার

ডেস্ক রিপোর্ট

সরকারি ছুটির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আবারো টিভি নাটকের শুটিংয়ের অনুমতি দিয়েছে টেলিভিশন সংশ্লিষ্ট আন্তঃসংগঠন। গত বৃহস্পতিবার সংগঠনটির জরুরি সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আজ সোমবার থেকে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে শুটিং করতে পারবেন।

শুটিংয়ের অনুমতি পেয়ে শুটিং শুরুর প্রস্তুতি অনেক নির্মাতাই নিয়েছেন। আবার অনেকে এখনি শুটিংয়ে ফিরতে চাচ্ছেন না। তবে নির্মাতাদের বড় একটি অংশ এখনি শুটিংয়ে ফিরতে নারাজ।

ডিরেক্টরস গিল্ডের সাধারণ সম্পাদক এসএ হক অলিক বলেন—‘শুটিং না করতে পারার কারণে আমার দর্শকপ্রিয় একটি ধারাবাহিক নাটক আটকে আছে। দর্শকের ব্যাপক আগ্রহ থাকলেও এ পরিস্থিতিতে আমি কাজ করতে চাচ্ছি না।’ জনপ্রিয় নাট্যনির্মাতা মিজানুর রহমান আরিয়ান বলেন—‘আমি এখনই শুটিং শুরু করার পক্ষে নই। কারণ একটি ইউনিটে অনেক মানুষের দরকার হয়। সেখানে সামাজিক দূরত্ব কীভাবে মেনে চলা হবে সেটা একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। এসব বিবেচনা করেই শুটিংয়ে ফিরছি না। তবে ঘরে থেকে মোবাইলের মাধ্যমে কিছু কাজ করার পরিকল্পনা আছে।’

গুণী নির্মাতা সাগর জাহানও শুটিংয়ে ফিরতে চাচ্ছেন না। তিনি বলেন—‘করোনাভাইরাসের এই সংকটকালে শুটিং স্পটে গিয়ে নাটক নির্মাণের পরিকল্পনা একদমই নেই। যদি পরিস্থিতির উন্নতি না হয়, তবে বিকল্পভাবে কাজ শুরুর কথা ভাবছি। যেমন ইনডোরে কাজ করার উপযোগী করে নাটকের গল্প তৈরির কথা ভাবছি। তবে তাও পরিস্থিতির উন্নতি সাপেক্ষে করব।’

এ সময়ে আরেক তরুণ নাট্যনির্মাতা মাবরুর রশীদ বান্নাহ্। শুটিং বন্ধ থাকার কারণে অর্থনৈতিক সংকট তারও তৈরি হয়েছে। কিন্তু ঝুঁকি নিয়ে এই সময়ে শুটিং করতে নারাজ বান্নাহ্। তিনি বলেন—‘শুটিং শুরুর বিষয়ে এখনো পরিকল্পনা করিনি। আমার মনে হয় জুনের মাঝামাঝি পর্যন্ত পর্যবেক্ষণ করে তারপর শুটিং শুরু করা উচিত। এত তাড়াহুড়া করার কিছু দেখি না। তবে এটি সাংগঠনিক একটি সিদ্ধান্ত। আমার একটি প্রচার চলতি ধারাবাহিক নাটকের প্রচারও বন্ধ হয়ে আছে। এটি নিয়ে আমিও বেকায়দায় আছি। তারপরও আমি শুটিংয়ে যাব না। অনেকের মতো অর্থনৈতিকভাবে আমিও ভালো নেই। কারণ অফিসের ভাড়া দিতে হচ্ছে, কিন্তু সেই সঙ্গে তো উপার্জন নেই। কষ্ট হলেও এখন আমি শুটিংয়ে যাব না।’

গত ২২ মার্চ থেকে টেলিভিশন নাটকের সব ধরনের শুটিং বন্ধ ছিল। সরকারি ছুটির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কয়েক দফায় শুটিং বন্ধের সময় বৃদ্ধি করা হয়। তবে গত ১৫ মে শর্ত সাপেক্ষে নাটকের শুটিং করার অনুমতি দিয়েছিল টেলিভিশন সংশ্লিষ্ট আন্তঃসংগঠন। কিন্তু অনুমতি দেওয়ার একদিন না পেরুতেই সব ধরনের শুটিং বন্ধের নির্দেশ দেয় সংগঠনটি।

Double Categories Posts 1

Double Categories Posts 2