জামিনে মুক্তির পর ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত হলেন শাহিদুল ইসলাম চৌধুরীসহ মিরসরাই বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ১৩ নেতা

top Banner

১৬ দিন কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পেয়েছেন মিরসরাই উপজেলা বিএনপির আহবায়ক শাহিদুল ইসলাম চৌধুরীসহ মিরসরাই উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের ১৩ জন নেতা। হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়ে বৃহস্পতিবার (৩০ মার্চ) রাত সাড়ে ৮টায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বের হয়ে আসেন তারা। এসময় কারাগার থেকে বের হওয়া নেতাদের জেলগেটে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন দলের নেতা-কর্মীরা। এছাড়াও নেতাকর্মীদের আবেগঘন উচ্ছাস আর মিছিলে মুখরিত হয়ে উঠে জেলগেট প্রাঙ্গন।

জামিনে মুক্তি পাওয়া বিএনপি নেতারা হলো, মিরসরাই উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক আব্দুল আউয়াল চৌধুরী, বর্তমান আহবায়ক শাহিদুল ইসলাম চৌধুরী, মিরসরাই পৌর বিএনপির আহবায়ক মহিউদ্দিন, উপজেলা বিএপির সদস্য মাঈন উদ্দিন মাহমুদ, গিয়াস উদ্দিন, বারইয়ারহাট পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি মাঈন উদ্দিন লিটন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি জাহিদুল আফছার জুয়েল, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সহ সভাপতি নুরুল আলম, উত্তর জেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক শওকত আকবর সোহাগ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক ওমর শরীফ, হিঙ্গুলী ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক কাজী সালেহ আহম্মদ, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক সরোয়ার হোসেন রুবেল, মিরসরাই পৌর যুবদলের সদস্য সচিব বোরহান উদ্দীন সবুজ।

কারামুক্তির পর নেতৃবৃন্দেকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান বিভিন্ন ইউনিয়নের বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদল নেতৃবৃন্দ।

শনিবার (১ এপ্রিল) ৬ নং ইছাখালী ইউনিয়ন বিএনপি, ২ নং হিঙ্গুলী ইউনিয়ন ও ৫ নং ওসসানপুর ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃবৃন্দ শাহিদুল ইসলাম চৌধুরীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাতে এলে নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে জেল জুলুম দিয়ে আন্দোলন দমন করা যাবেনা উল্লেখ করে শাহীদ চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশটাই তো কারাগার। ক্ষুদ্র জেলে বন্ধি রাখা সাধ্য কার? সরকারের গ্রেপ্তারে আমরা বিচলিত নই। কারাগারকে আমরা বরণ করে নিয়েছি, মৃতুকে করেছি আলিঙ্গন। সুতরাং আমাদেরকে দমিয়ে রাখা সম্ভব না। আগামী ঈদের পরে যে চূড়ান্ত আন্দোলন, সে আন্দোলনে গণতন্ত্রের মা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে আমরা মুক্ত করব, ফ্যাসিবাদের কবর রচনা করে গণতন্ত্র পুণরুদ্ধার করব।

এসময় ২ নং হিঙ্গুলী ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক বেলাল হোসেন চৌধুরী, বিএনপি নেতা মোশাররফ হোসেন, বেলাল ইউনুছ, একরামুল হক, কামরুল ইসলাম, আলমগীর হোসেন, বাবলু, সম্রাট, আকাশের নেতৃত্বে শাহিদুল ইসলাম চৌধুরীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান হিঙ্গুলী ইউনিয়ন বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল।

এরপর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ও ৫ং ওসমানপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি এফ কবির ও বিএনপি নেতা জহুরুল হকের নেতৃত্বে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান ওসমানপুর বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল।

৬নং ইছাখালী ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক মোঃ আবু নোমান ভূঁইয়া, ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, ৬ নং ইছাখালী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আলী আজগর, উপজেলা জিসপের সহ সভাপতি নুর নবী, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক তৌহিদুল ইসলাম, চট্টগ্রাম উত্তরজেলা জাসাসের ভারপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক কেফায়েত উল্লাহ, ৬ নং ইছাখালী জাসাসের সাধারণ সম্পাদক হানিফ মিয়া, উপজেলা জিসপের সিনিয়র সহ সভাপতি ডা. জাহিদ, যুবনেতা আলতাফ হোসেন সুমন, আলতাফ হোসেন, রাসেল, সাহাবউদ্দিন, বাবলু ৬নং ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র সহ সভাপতি মোসলেম উদ্দিন, ইউনিয়ন বিএনপি নেতা নুরুল আজিম, মোশাররফ হোসেনের নেতৃত্বে শাহিদুল ইসলাম চৌধুরীকে শুভেচ্ছা জানান ইছাখালী ইউনিয়ন বিএনপি।

এসময় কারামুক্ত নেতা মিরসরাই পৌর বিএনপির আহবায়ক মহিউদ্দিন ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক শওকত আকবর সোহাগকেও ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানায় নেতাকর্মীরা।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ১১ মঘাদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব আলাউদ্দিন, ১৬ নং সাহেরখালি ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক রফিক মেম্বার, উপজেলা জাসাসের সদস্য সচিব ও ১৩ নং বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মাসুম বিল্লাহ, ১৪ নং হাইতকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মেজবাউল আলম পারবেজ, ১৩ নং মায়ানী জাসাসের সদস্য সচিব মৃদুল বড়ুয়া, ছাত্রদল নেতা জুবায়ের মুন্না ও স্বাধীন শাহেদ, শ্রমিকদল নেতা জাহিদ হাসান।

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানা এলাকায় পুলিশের সাথে বিএনপির নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনার এই মামলা হয়েছে। এতে ৪টি মামলায় ৯০ জনের নাম উল্লেখ করে ৫০০ থেকে ৬০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা কোতোয়ালি থানা পুলিশ।

এর আগে গত ১৪ মার্চ চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতে আসামীরা আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে বিচারক ড. বেগম জেবুন্নেছা জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছিলেন।

আরো খবর