আমিরাতে মিরসরাই সমিতির ৭ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন

সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৭ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করেছে মিরসরাই সমিতি। মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে শারজাহ বাংলাদেশ সমিতির বঙ্গবন্ধু হল রুমে এই উপলক্ষে আলোচনা সভা, মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা ও মেজবানের আয়োজন করে সংগঠনটি।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন এসবিজি ইকোনমিক জোনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মাহবুব উর রহমান রুহেল। উদ্বোধক ছিলেন- চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ সদস্য প্রদীপ রঞ্জণ চক্রবর্তী। সভাপতিত্ব করেন মিরসরাই সমিতির সভাপতি এম এ তাহের ভূঁইয়া।

সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ আজমের সঞ্চালনায় এসময় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মিরসরাই উপজেলা চেয়ারম্যান সমিতির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল করিম চৌধুরী হুমায়ুন, সমিতির প্রধান পৃষ্ঠপোষক মোহাম্মদ জিয়া উদ্দিন, মিরসরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য নুরুল গনি, মঘাদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি তোফায়েল উল্ল্যা চৌধুরী নাজমুল, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক এমরান হোসেন সোহেল, বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ক্লাব ইউএই’র সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান জনি প্রমুখ।

প্রধান অতিথি মাহবুব উর রহমান রুহেল বলেন, ‘অর্থনৈতিক অঞ্চলের কারণে মিরসরাইয়ে আগামী দশ বছরের মধ্যে ত্রিশ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হবে। বর্তমানে নাগরিক আছেন পাঁচ লাখের মতো। অন্যরা দেশ-বিদেশ থেকে কর্মের সন্ধানে এখানে (মিরসরাই) আসবেন। যার প্রেক্ষিতে মিরসরাই হবে একটি সুপরিকল্পিত নগরী। হতে হবে একটি স্মার্ট সিটি। বলা যায়, ঢাকা ও চট্টগ্রামের পর দেশের তৃতীয় বৃহত্তর শহর হবে মিরসরাই।’

এসময় তিনি কভিড পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ ও খাদ্য নিরাপত্তার উপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রধান অতিথি বলেন, ‘করোনা পরবর্তী সময় প্রায় সব দেশেই চাপে পড়েছে। যেকারণে সবার আগে খাদ্য নিরাপত্তার কথা চিন্তা করতে হবে। আমাদের খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে হবে। কৃষি জমি অনাবাদি রাখা যাবে না। সাধ্যমতো চাষাবাদ করতে হবে।’

প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠানে দেশটির দুবাই, আবুধাবি, আল আইন, শারজাহ, আজমান, রাস আল খাইমাহসহ অন্যান্য প্রদেশ থেকে প্রায় ১৫’শ মিরসরাই প্রবাসী এতে অংশগ্রহণ করেন।

আরো খবর