আবুরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ে
দুইদিন ব্যাপী বার্ষিক ক্রীড়া সম্পন্ন

top Banner

মিরসরাইয়ের ঐতিহ্যবাহী আবুরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের দুইদিনব্যাপী বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার ও বৃহস্পতিবার বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতা বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি নুরুল আবছারের সভাপতিত্বে এবং বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মেহেদি হাসান নয়নের সঞ্চালনায় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার দিন স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষিকা নাছিমা আক্তার। প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সাবেক সভাপতি ও আজীবন দাতা সদস্য নুরুল আলম। এসময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আবুরহাট উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নরেন্দ্র কুমার দে, ইছাখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কাসেম ভূঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক মেজবাউল আলম, মিরসরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক এসএম নুরুল আবছার, ইছাখালী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান জামাল উদ্দিন দুখু, বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক হারুন অর রশিদ বিএসসি, বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের অভিভাবক সদস্য এরাদুল হক মাষ্টার, জয়নাল আবেদীন, মঈন উদ্দিন, শিক্ষানুরাগী সদস্য জাহেদ রফিক, দাতা সদস্য নাজমুল হুদা বাবর খান, ইছাখালী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আজম খান। এর আগে বুধবার ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সাবেক সভাপতি নুরুল মোস্তফা মানিক। বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মেহেদি হাসান নয়নের সঞ্চালনায় বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি নুরুল আবছারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ইছাখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল মোস্তফা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নরেন্দ্র কুমার দে, বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষিকা নাছিমা আক্তার, ইছাখালী ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা সদস্য বদরুজ্জাহান বেগম, বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সদস্য ও শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ।
বুধবার প্রথম দিন সকালে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্যদিয়ে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয়। প্রতিযোগিতার মধ্যে ছিল ৮০০ মিটার দৌড়, ধীরে সাইকেল চালানো, উচ্চ লাফ, দীর্ঘ লাফ, চাকতি ও গোলক নিক্ষেপ, বেলুন ফুটানো, ৬০০ মিটার দৌড়, বস্তা দৌড়, ব্যাঙ লাফ, অংক দৌড়, মিউজিক্যাল পিলো, স্মৃতি পরীক্ষা, বিস্কুট খেলা, সুই-সুতা, ধীরে হাঁটা, কুচকাওয়াজ প্রতিযোগিতা, গার্লস গাইড, স্কাউটদের ডিসপ্লে প্রদর্শনী। বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দিনের প্রতিযোগিতার মধ্যে ছিল কেরাত, হামদ, নাত, গজল, আবৃত্তি, দেশাত্মবোধক গান, নজরুল সংগীত, রবীন্দ্র সংগীত, লোকগীতি, পল্লীগীতি, আধুনিক গান, জারি গান, ভান্ডারী গান, একক অভিনয়, একক নৃত্য, যৌথ নৃত্য, গীতি নকশা।

আরো খবর